
Friday, 28 March 2014
Thursday, 27 March 2014
জীববিজ্ঞান গোত্রের বৈশিষ্ট্য
গোত্রের বৈশিষ্ট্য
প্রারম্ভিক আলোচনা:
এ অধ্যায়ে অনেক কিছুই সোজা কথা মুখস্ত করতে হবে।
সাধারণত খুব বেশি প্রশ্ন আসে না, আসলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ
কিছু থেকেই আসে। আন্ডারলাইন
করাগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. পুষ্পবিন্যাস বা পুষ্পমঞ্জরী সংক্রান্ত:
(এখানে কিছু উদাহরণ আছে, তা থেকে প্রশ্ন আসার
সম্ভাবনা কম)
· রেসিম = সরিষা
· স্পাইক = রজনীগন্ধা
· স্প্যাডিক্স = নারিকেল, কলা
· স্পাইকলেট = ধান, গম, ঘাস
· ক্যাটকিন = মুক্তাঝুরি
· করিম্ব = কালকাসুন্দা
· আম্বেল = ধনে, গাজর
· ক্যাপিটেট = লজ্জাবতী, বাবলা
২. ফুলের চারটি স্তবক যথাক্রমে: বৃতি, দল, পুংস্তবক,
স্ত্রীস্তবক।
৩. একলিঙ্গ ফুল অসম্পূর্ণ ফুল, কেননা চারটি স্তবকের
মধ্যে তৃতীয়টি বা চতুর্থটি অনুপস্থিত থাকে।
৪. অমরাবিন্যাস সংক্রান্ত:
(এখানকার উদাহরণগুলো কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ)
ক. একপ্রকোষ্ঠবিশিষ্ট:
· প্রান্তীয় = মটর
· বহুপ্রান্তীয় = পেঁপে
· মূলীয় = সূর্যমুখী
· মুক্তকেন্দ্রীয় = তুঁত
খ. একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট:
· অক্ষীয় = জবা
· গাত্রীয় = শালুক
· শীর্ষদেশীয় = লালপাতা
৫. পুষ্পমুকুল পত্রবিন্যাস বা এস্টিভেশন:
· ভালভেট = বাবলা
· টুইস্টেড = জবা
· ইম্ব্রিকেট = কৃষ্ণচূড়া, কালকাসুন্দা
· কুইনকানসিয়াল = পেয়ারা
· ভেক্সিলারী = মটর
৬. বৃতি বা calyx এর জন্য ইংরেজি বর্ণমালার K ব্যবহৃত
হয়। দল বা corolla-এর জন্য C। (এটা একটু সাধারণ
যুক্তির বাইরে, কারণ বৃতিকেই C দিয়ে প্রকাশ করার কথা,
যেহেতু সেটি আগে, কিন্তু যে কারণেই হোক, বৃতিকে K
দ্বারা প্রকাশ করা হয়, আর দলকে C দ্বারা)। পুংস্তবকের
জন্য A এবং স্ত্রীস্তবকের জন্য G।
একবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র:
৭. Liliaceae গোত্র:
· এদের ফুল ট্রাইমেরাস (তিন বা তিনের গুণিতক)
· অমরাবিন্যাস অক্ষীয়
· এস্টিভেশন ইমব্রিকেট
উদাহরণ: পিঁয়াজ, রসুন, ঘৃতকুমারী, শতমূলী, উলটচণ্ডাল,
কুমারীলতা
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র:
৮. Cruciferae গোত্র:
· ফুল টেট্রাডিনেমাস (টেট্রা=চার)। (ক্রুসিফেরের
সাথে ক্রস-এর মিল আছে, আর ক্রসে চারটা হাত থাকে,
এভাবে মনে রাখা যায়, আর অন্য সব দ্বিবীজপত্রী গোত্র
পেন্টামেরাস)
· পুষ্পবিন্যাস প্রধানত রেসিম (সরিষা)
· ফল সিলিকুয়া জাতীয় (সিলিকুয়া বলতে মটর
বা শিমের মত)
· পাতা লাইরেট (বীণার মত)
উদাহরণ: সরিষা, মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম
৯. Leguminoseae / Fabaceae গোত্র:
এই গোত্রের উদ্ভিদের মূলে নডিউল থাকে,
যেখানে ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
এই গোত্রকে তিনটি উপগোত্রে বিভক্ত করা হয়েছে।
ক. Mimosoideae
খ. Ceasalpiniodeae
গ. Papilionoideae
নিচে তুলনামূলক কিছু পার্থক্য:
বৈশিষ্ট্য Mimosoideae Ceasalpiniodeae Papilionoideae
১. দলমণ্ডলের এস্টিভেশন ভালভেট ইমব্রিকেট ভেক্সিলারী
২. বিশেষ বৈশিষ্ট্য পুংদণ্ডগুলো পাঁপড়ি থেকে অনেক
বাইরে বেরিয়ে থাকে।
বিজোড় পাঁপড়ি সবচেয়ে ক্ষুদ্র
ও সম্পূর্ণভাবে ভেতরে অবস্থান
করে।
ফুল প্রজাপতিসম।
বিজোড় পাঁপড়ি বৃহত্তম ও
সম্পূর্ণরূপে বাইরে অবস্থিত।
৩. পুংকেশরের সংখ্যা ৪ টা থেকে অসংখ্য ১০টি বা এর চেয়ে কম ১০ টি (একগুচ্ছ বা দ্বিগুচ্ছ)
[(৯)+(১)]
৪. পুষ্পমঞ্জরী ক্যাপিটেট রেসিম, করিম্ব, স্পাইক রেসিম অথবা একক
৫. ফল পড্ / লোমেন্টাম / লিগিউম লিগিউম লিগিউম / পড
৬. উদাহরণ: লজ্জাবতী কৃষ্ণচূড়া অতসী
১০. Malvaceae গোত্র:
· পরাগধানী একপ্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার
· পরাগরেণূ বৃহৎ ও কণ্টকিত
· অমরাবিন্যাস অক্ষীয়
· ফল ক্যাপসুল, বেরী, রাইজোকার্প
উদাহরণ: জবা , ঢেঁড়স, কার্পাস ইত্যাদি।
১১. Solanaceae গোত্র:
· ফুল পেন্টামেরাস
· অমরাবিন্যাস অক্ষীয়
· ফল সাধারণত বেরী, কখনও ক্যাপসুল।
উদাহরণ: ধুতুরা , গোলআলু, টোম্যাটো, মরিচ, বেগুন,
তামাক ইত্যাদি।
১২. ফুলের বর্ণকণিকা:
· সরিষা ফুলে বিটাজেন্থিন থাকে, তাই ফুলটিকে হলুদ
দেখায়।
· জবা ফুলে অ্যান্থোসায়ানিন থাকে, তাই
ফুলটিকে লাল দেখায়।
(কনফিউশন এভাবে দূর করা যেতে পারে.. ল এর পরে হ
আসে, তেমনি A এর পরে B। তাই লাল=A, হলুদ=B)
১৩. কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফুলের পুষ্পসংকেত:
জবা = MF, EK 5 K (5) C 5 A (α) G (5) (A এর নিচে α
দেখলেই বুঝতে হবে এটি জবা ফুল)
ধুতুরা = MF, Å K (5) C(5) A 5G (2) (এমন ৫
টি করে থাকলে ধুতুরা চেনা যেতে পারে)
এছাড়া একবীজপত্রী তে তিন-এর গুণিতক, ক্রুসিফেরি ৪ এর
গুণিতক দেখা যাবে।
রসায়ন ৩য় অধ্যায়
সংকরন বের করার মজার Technique:
x=1/2(কেন্দ্রিয় পরমাণুর শেষ কক্ষ পথের
(যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা+এক যোজী মৌ্লের
সখ্যা - যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা + যৌগে অ্যানায়ন এর
সংখ্যা )
i)যদি x=4 হয় তবে SP3 সংকরন
ii)যদি x=3 হয় তবে SP2 সংকরন
iii)যদি x=2 হয় তবে SP সংকরন
উদাহরণ ০১ :
মনে কর একটি যৌগ অ্যা্মনিয়া (NH3) :
অ্যা্মনিয়া (NH3) যৌগে কেন্দ্রিয় পরমাণু নাইট্রোজেন
(N) .[যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী]
নাইট্রোজেন (N) এর শেষ কক্ষ পথের
(যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 5.
এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) =3
যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0
যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0
x=1/2(5+3-0+0) = 4
যেহেতু x=4 হয় তাই অ্যা্মনিয়া (NH3) যৌগে SP3
সংকরন
উদাহরণ ০২ :
মনে কর একটি যৌগ পানি (H2O) :
পানি (H2O) তে কেন্দ্রিয় পরমাণু অক্সিজেন (O).
[যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী]
অক্সিজেন (O) এর শেষ কক্ষ পথের
(যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 6.
এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) = 2
যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0
যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0
x=1/2(6+2-0+0) = 4
যেহেতু x=4 হয় তাই পানি (H2O) যৌগে SP3 সংকরন
উদাহরণ ০৩ :
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)
কেন্দ্রিয় পরমাণু কার্বন (C)
কার্বন (C) এর শেষ কক্ষ পথের
(যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 4
এক যোজী মৌ্লের সখ্যা = 0
যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0
যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0
x=1/2(4+0-0+0) = 2;
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এ SP সংকরন বিদ্যমান
উদাহরণ ০৪ :
মনে কর একটি যৌগ অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন:
অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন যৌগে কেন্দ্রিয় পরমাণু
নাইট্রোজেন (N) .[যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী]
নাইট্রোজেন (N) এর শেষ কক্ষ পথের
(যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 5.
এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) =4
যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা = 1
যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা = 0
x=1/2(5+4-1+0) = 4
যেহেতু x=4 হয় তাই অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন
যৌগে SP3 সংকরন
কি মজা না????
Subscribe to:
Posts (Atom)