Thursday, 27 March 2014

জীববিজ্ঞান গোত্রের বৈশিষ্ট্য

গোত্রের বৈশিষ্ট্য প্রারম্ভিক আলোচনা: এ অধ্যায়ে অনেক কিছুই সোজা কথা মুখস্ত করতে হবে। সাধারণত খুব বেশি প্রশ্ন আসে না, আসলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু থেকেই আসে। আন্ডারলাইন করাগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যায় সারবস্তু: ১. পুষ্পবিন্যাস বা পুষ্পমঞ্জরী সংক্রান্ত: (এখানে কিছু উদাহরণ আছে, তা থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা কম) · রেসিম = সরিষা · স্পাইক = রজনীগন্ধা · স্প্যাডিক্স = নারিকেল, কলা · স্পাইকলেট = ধান, গম, ঘাস · ক্যাটকিন = মুক্তাঝুরি · করিম্ব = কালকাসুন্দা · আম্বেল = ধনে, গাজর · ক্যাপিটেট = লজ্জাবতী, বাবলা ২. ফুলের চারটি স্তবক যথাক্রমে: বৃতি, দল, পুংস্তবক, স্ত্রীস্তবক। ৩. একলিঙ্গ ফুল অসম্পূর্ণ ফুল, কেননা চারটি স্তবকের মধ্যে তৃতীয়টি বা চতুর্থটি অনুপস্থিত থাকে। ৪. অমরাবিন্যাস সংক্রান্ত: (এখানকার উদাহরণগুলো কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ) ক. একপ্রকোষ্ঠবিশিষ্ট: · প্রান্তীয় = মটর · বহুপ্রান্তীয় = পেঁপে · মূলীয় = সূর্যমুখী · মুক্তকেন্দ্রীয় = তুঁত খ. একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট: · অক্ষীয় = জবা · গাত্রীয় = শালুক · শীর্ষদেশীয় = লালপাতা ৫. পুষ্পমুকুল পত্রবিন্যাস বা এস্টিভেশন: · ভালভেট = বাবলা · টুইস্টেড = জবা · ইম্ব্রিকেট = কৃষ্ণচূড়া, কালকাসুন্দা · কুইনকানসিয়াল = পেয়ারা · ভেক্সিলারী = মটর ৬. বৃতি বা calyx এর জন্য ইংরেজি বর্ণমালার K ব্যবহৃত হয়। দল বা corolla-এর জন্য C। (এটা একটু সাধারণ যুক্তির বাইরে, কারণ বৃতিকেই C দিয়ে প্রকাশ করার কথা, যেহেতু সেটি আগে, কিন্তু যে কারণেই হোক, বৃতিকে K দ্বারা প্রকাশ করা হয়, আর দলকে C দ্বারা)। পুংস্তবকের জন্য A এবং স্ত্রীস্তবকের জন্য G। একবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র: ৭. Liliaceae গোত্র: · এদের ফুল ট্রাইমেরাস (তিন বা তিনের গুণিতক) · অমরাবিন্যাস অক্ষীয় · এস্টিভেশন ইমব্রিকেট উদাহরণ: পিঁয়াজ, রসুন, ঘৃতকুমারী, শতমূলী, উলটচণ্ডাল, কুমারীলতা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র: ৮. Cruciferae গোত্র: · ফুল টেট্রাডিনেমাস (টেট্রা=চার)। (ক্রুসিফেরের সাথে ক্রস-এর মিল আছে, আর ক্রসে চারটা হাত থাকে, এভাবে মনে রাখা যায়, আর অন্য সব দ্বিবীজপত্রী গোত্র পেন্টামেরাস) · পুষ্পবিন্যাস প্রধানত রেসিম (সরিষা) · ফল সিলিকুয়া জাতীয় (সিলিকুয়া বলতে মটর বা শিমের মত) · পাতা লাইরেট (বীণার মত) উদাহরণ: সরিষা, মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম ৯. Leguminoseae / Fabaceae গোত্র: এই গোত্রের উদ্ভিদের মূলে নডিউল থাকে, যেখানে ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। এই গোত্রকে তিনটি উপগোত্রে বিভক্ত করা হয়েছে। ক. Mimosoideae খ. Ceasalpiniodeae গ. Papilionoideae নিচে তুলনামূলক কিছু পার্থক্য: বৈশিষ্ট্য Mimosoideae Ceasalpiniodeae Papilionoideae ১. দলমণ্ডলের এস্টিভেশন ভালভেট ইমব্রিকেট ভেক্সিলারী ২. বিশেষ বৈশিষ্ট্য পুংদণ্ডগুলো পাঁপড়ি থেকে অনেক বাইরে বেরিয়ে থাকে। বিজোড় পাঁপড়ি সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও সম্পূর্ণভাবে ভেতরে অবস্থান করে। ফুল প্রজাপতিসম। বিজোড় পাঁপড়ি বৃহত্তম ও সম্পূর্ণরূপে বাইরে অবস্থিত। ৩. পুংকেশরের সংখ্যা ৪ টা থেকে অসংখ্য ১০টি বা এর চেয়ে কম ১০ টি (একগুচ্ছ বা দ্বিগুচ্ছ) [(৯)+(১)] ৪. পুষ্পমঞ্জরী ক্যাপিটেট রেসিম, করিম্ব, স্পাইক রেসিম অথবা একক ৫. ফল পড্ / লোমেন্টাম / লিগিউম লিগিউম লিগিউম / পড ৬. উদাহরণ: লজ্জাবতী কৃষ্ণচূড়া অতসী ১০. Malvaceae গোত্র: · পরাগধানী একপ্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার · পরাগরেণূ বৃহৎ ও কণ্টকিত · অমরাবিন্যাস অক্ষীয় · ফল ক্যাপসুল, বেরী, রাইজোকার্প উদাহরণ: জবা , ঢেঁড়স, কার্পাস ইত্যাদি। ১১. Solanaceae গোত্র: · ফুল পেন্টামেরাস · অমরাবিন্যাস অক্ষীয় · ফল সাধারণত বেরী, কখনও ক্যাপসুল। উদাহরণ: ধুতুরা , গোলআলু, টোম্যাটো, মরিচ, বেগুন, তামাক ইত্যাদি। ১২. ফুলের বর্ণকণিকা: · সরিষা ফুলে বিটাজেন্থিন থাকে, তাই ফুলটিকে হলুদ দেখায়। · জবা ফুলে অ্যান্থোসায়ানিন থাকে, তাই ফুলটিকে লাল দেখায়। (কনফিউশন এভাবে দূর করা যেতে পারে.. ল এর পরে হ আসে, তেমনি A এর পরে B। তাই লাল=A, হলুদ=B) ১৩. কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফুলের পুষ্পসংকেত: জবা = MF, EK 5 K (5) C 5 A (α) G (5) (A এর নিচে α দেখলেই বুঝতে হবে এটি জবা ফুল) ধুতুরা = MF, Å K (5) C(5) A 5G (2) (এমন ৫ টি করে থাকলে ধুতুরা চেনা যেতে পারে) এছাড়া একবীজপত্রী তে তিন-এর গুণিতক, ক্রুসিফেরি ৪ এর গুণিতক দেখা যাবে।

রসায়ন ৩য় অধ্যায়

সংকরন বের করার মজার Technique: x=1/2(কেন্দ্রিয় পরমাণুর শেষ কক্ষ পথের (যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা+এক যোজী মৌ্লের সখ্যা - যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা + যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা ) i)যদি x=4 হয় তবে SP3 সংকরন ii)যদি x=3 হয় তবে SP2 সংকরন iii)যদি x=2 হয় তবে SP সংকরন উদাহরণ ০১ : মনে কর একটি যৌগ অ্যা্মনিয়া (NH3) : অ্যা্মনিয়া (NH3) যৌগে কেন্দ্রিয় পরমাণু নাইট্রোজেন (N) .[যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী] নাইট্রোজেন (N) এর শেষ কক্ষ পথের (যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 5. এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) =3 যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0 যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0 x=1/2(5+3-0+0) = 4 যেহেতু x=4 হয় তাই অ্যা্মনিয়া (NH3) যৌগে SP3 সংকরন উদাহরণ ০২ : মনে কর একটি যৌগ পানি (H2O) : পানি (H2O) তে কেন্দ্রিয় পরমাণু অক্সিজেন (O). [যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী] অক্সিজেন (O) এর শেষ কক্ষ পথের (যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 6. এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) = 2 যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0 যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0 x=1/2(6+2-0+0) = 4 যেহেতু x=4 হয় তাই পানি (H2O) যৌগে SP3 সংকরন উদাহরণ ০৩ : কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) কেন্দ্রিয় পরমাণু কার্বন (C) কার্বন (C) এর শেষ কক্ষ পথের (যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 4 এক যোজী মৌ্লের সখ্যা = 0 যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা =0 যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা =0 x=1/2(4+0-0+0) = 2; কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এ SP সংকরন বিদ্যমান উদাহরণ ০৪ : মনে কর একটি যৌগ অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন: অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন যৌগে কেন্দ্রিয় পরমাণু নাইট্রোজেন (N) .[যেহেতু ভর বেশি / যোজনী বেশী] নাইট্রোজেন (N) এর শেষ কক্ষ পথের (যোজ্যতা স্তরের)ইলেক্ট্রন সংখ্যা 5. এক যোজী মৌ্লের সখ্যা (H) =4 যৌগে ক্যাটায়ন এর সংখ্যা = 1 যৌগে অ্যানায়ন এর সংখ্যা = 0 x=1/2(5+4-1+0) = 4 যেহেতু x=4 হয় তাই অ্যা্মনিয়াম (NH4+) আয়ন যৌগে SP3 সংকরন কি মজা না????